হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শিশির মনিরের কাছে নগদ আছে ৯ লাখ ৫২ হাজার ৪ টাকা, ব্যাংকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, যানবাহন ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার, ইলেকট্রনিক পণ্য আছে ৪ লাখ টাকার, সোনা আছে ২৫ ভরি। তবে সেগুলো উপহার হিসেবে পাওয়া।
অপরদিকে শিশির মনিরের স্ত্রী সুমাইয়া সাদিয়া রায়হান বেসরকারি চাকরি করেন। তার কাছে নগদ অর্থ আছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৬৫ টাকা, ব্যাংকে ৩৮ লাখ ২৬ হাজার ৩১৭ টাকা, বন্ড ঋণপত্র ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানত ৯১ লাখ ৯০ হাজার ৫৯৫ টাকা, যানবাহন ৪৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার, উপহার হিসেবে পাওয়া ২৫ ভরি সোনা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৭ লাখ ২০ হাজার ৪০০ টাকা
একইসঙ্গে শিশির মনিরের স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৮১ লাখ ৮৭ হাজার ৪২০ টাকা মূল্যের (অকৃষি জমি) আছে বলে হলফনামায় উল্লেখ আছে।
এদিকে শিশির মনিরের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ। এই মামলা হাইকোর্ট বিভাগের আদেশে কার্যক্রম স্থগিত আছে। অন্য মামলাটি তদন্তাধীন।
0 মন্তব্যসমূহ