ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অনেক কমেছে : যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের মতে, চলমান সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের আক্রমণক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তাদের হামলার হারও কমে এসেছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ৯০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। একই সঙ্গে ড্রোন হামলার ঘটনাও প্রায় ৮৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার মতে, এই সামরিক অভিযানের প্রভাবেই ইরানের আক্রমণাত্মক তৎপরতা কমে এসেছে।
লেভিট আরও বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। বিশেষ করে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে ইরানের সামরিক সক্ষমতা সীমিত করার চেষ্টা চলছে।
হোয়াইট হাউসের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানে এখন পর্যন্ত ইরানের ৫০টিরও বেশি জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। এসবের মধ্যে ড্রোন বহনে সক্ষম একটি বড় জাহাজও ছিল।
এছাড়া লেভিট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজেছিলেন। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এদিকে সংঘাতে আহত ১৪০ মার্কিন সেনার মধ্যে ১০৮ জন ইতোমধ্যে আবার দায়িত্বে ফিরে গেছেন বলে জানানো হয়েছে।
