শক্ত যুক্তি আছে, আপিলে জিতব: তাসনিম জারা


 



ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলে বলার মতো শক্ত যুক্তি আছে বলে জানিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। 



এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা আপিলে জিতে আসব এবং আপনাদের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে এই নির্বাচনে লড়ব।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তাসনিম জারা এসব কথা বলেন। 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে তাসনিম জারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তাসনিম জারা বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করবেন। আপিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।  

শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তাসনিম জারা বলেন, মনোনয়নপত্র বাতিলের খবর শুনে অনেকেই চিন্তা করছেন যে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন কি না। তিনি ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন যে আপিল করছেন। তার আইনজীবী জানিয়েছেন, আপিলে বলার মতো শক্ত যুক্তি আছে। অতীতের নজির আছে।  

বাংলাদেশে পরিবর্তন নিয়ে আশাবাদী বলে উল্লেখ করে তাসনিম জারা বলেন, আপনাদেরকেও নিরাশ না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। 



ভিডিও বার্তায় ‘ক্রাউড ফান্ডিং’ (গণ-অনুদানের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ) নিয়ে তাসনিম জারা বলেন, তিনি যখন ঘোষণা দিয়েছিলেন যে স্বতন্ত্র নির্বাচন করবেন, তখনই জানিয়েছিলেন, দল (এনসিপি) ছেড়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করার সিদ্ধান্তের কারণে যারা টাকা ফেরত চান, তারা যেন তাকে জানান। এখন পর্যন্ত ২০৫ জন জানিয়েছেন, যারা বিকাশে টাকা পাঠিয়েছেন। তাদের সবার টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। 

তাসনিম জারা বলেন, আরও যারা টাকা ফেরত চান, তাদের জন্য তিনি ফর্মের লিংক তার এই পোস্টের ক্যাপশন ও কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছেন। যারা যারা টাকা ফেরত চাইবেন, সবার টাকা ফেরত দেওয়া হবে। প্রত্যেকর টাকা ফেরত যাবে। এটা নিয়ে সংশয়ের কোনো অবকাশ নেই।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তাসনিম জারা উল্লেখ করেছেন, নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহের জন্য তিনি জনসাধারণ থেকে ‘ক্রাউড ফান্ডিং’-এর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেছেন। এই অর্থের পরিমাণ ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।

তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনি জোটের ইস্যুতে দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এরপর ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url